রাজ্যে কাটমানি বিক্ষোভ

রাজ্যের প্রায় প্রতিটি জেলায়ই কাটমানির বিরুদ্ধে বিক্ষোভ দেখিয়েছে রাজ্যবাসী কখনো তা বিজেপির হাত ধরে কখনো বা সাধারণ মানুষ একত্রিত হয়ে। এক কথায় বলাই যায় এই কাটমানি সমস্যা নিয়ে বেশ সমস্যার সম্মুখীন হতে হচ্ছে তৃণমূল কর্মী তথা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায় কেও। যদিও মুখ্যমন্ত্রী ও অন্যান্য নেতা-নেত্রীরা বলেছেন “সঠিক প্রমান পেলে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে প্রাশাসনিক ভাবে করা পদক্ষেপ নেয়া হবে”।

রাজ্যে ঘটে যাওয়া কয়েকটি ঘটনা : – – – – – – – – – – – – – –

বাঁকুড়া, কুড়ার রাইপুর থানার খয়েরবনি গ্রামের ঘটনা- – –
তৃণমূল নেতা রাম গোপাল মন্ডলের বাড়ির সামনে শুক্রবার রাত্রে ঘেরাও হয় স্থানীয় বাসিন্দারা। অভিযোগ, প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনায় বাড়ি দেওয়ার নাম করে স্থানীয় বাসিন্দাদের কাছ থেকে হাজার হাজার টাকা কাট মানি তুলেছেন ওই তৃণমূল নেতা। যদি অবিলম্বে তাদের টাকা ফেরত না দেয়া হয় তাহলে আরো বড়ো ধরণের আন্দোলন করবে বলে হুমকি দিয়েছে বিক্ষোভকারীরা। বিক্ষোভের আকার বাড়তে দেখে স্থানীয় থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে যায়। প্রথমে কাটমানির কথা অস্বীকার করলেও, পরে চাপের মুখে পরে স্বীকার করে নেয় ওই নেতা।

মঙ্গলকোটের কৈচর ২ নম্বর পঞ্চায়েতের বনকাপাসি গ্রামের ঘটনা – – –
স্থানীয় গ্রাম পঞ্চায়েত সদস্য, অঞ্চল সভাপতি-সহ ৪ তৃণমূল নেতাকে ডেকে এনে একটি আলোচনা সভায় বসানো হয়, সরকারি নানান প্রকল্প থেকে নেওয়া কাটমানি ফেরতের দাবিতে করা হয় এই সালিশিসভা। কিন্তু এইদিন অন্য চিত্র দেখা যায় তৃণমূল নেতাদের, প্রকাশ্যে হাত জোড় করে বলেন, আমাদের কাটমানি নেওয়াটা অপরাধ হয়েছে। দ্বিতীয়বার এই ভুল হবে না বলে আশ্বাস দিয়েছে। এবং একমাসের মধ্যে টাকা ফেরতের আশ্বাস দিয়ে একটি মুচলেখাও জমা দেন।
গ্রামবাসীদের অভিযোগ, ৪২ জনের কাছ থেকে প্রায় ২ লক্ষ ১২ হাজার টাকা কাটমানি নিয়েছেন ওই নেতারা। পঞ্চায়েত সদস্য মৃণাল কান্তি পাল তা স্বীকারও করেন এদিন। এ ছাড়াও একশ দিনের কাজ, রাস্তার কাজ বাবদ কাটমানি নেওয়া হয়েছে বলেও গ্রামবাসীদের অভিযোগ।

Updated: June 29, 2019 — 6:00 am