ews certificate apply online West Bengal

পশ্চিমবঙ্গে EWS সার্টিফিকেট আবেদন পদ্ধতি ২০২৬: যোগ্যতা, প্রয়োজনীয় নথি ও সম্পূর্ণ গাইড

সরকারি চাকরি বা উচ্চশিক্ষায় ভর্তির সময় নথি যাচাইয়ের (Physical Document Verification) পর্যায়ে সক্ষম কর্তৃপক্ষের ইস্যু করা EWS সার্টিফিকেট জমা দেওয়া বাধ্যতামূলক। পশ্চিমবঙ্গ সরকার সাধারণ শ্রেণির আর্থিকভাবে পিছিয়ে পড়া প্রার্থীদের জন্য Economically Weaker Sections (EWS) সংরক্ষণ চালু করেছে। এই প্রতিবেদনে জেনে নিন EWS সার্টিফিকেট কী, কারা এর যোগ্য এবং পশ্চিমবঙ্গে কীভাবে ধাপে ধাপে আবেদন করবেন।

EWS সংরক্ষণ কী এবং এর সুবিধা কী?

EWS অর্থাৎ Economically Weaker Section (আর্থিকভাবে দুর্বল শ্রেণি) সংরক্ষণ চালু হয়েছে সাধারণ শ্রেণির (General Category) মধ্যে থাকা আর্থিকভাবে পিছিয়ে পড়া প্রার্থীদের জন্য। যাঁরা SC, ST বা OBC সংরক্ষণের আওতায় পড়েন না, অথচ আর্থিকভাবে দুর্বল, তাঁরা EWS শংসাপত্রের মাধ্যমে পশ্চিমবঙ্গের সরকারি চাকরি ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ১০% সংরক্ষণ পাওয়ার সুযোগ পান।

EWS সার্টিফিকেটের যোগ্যতার মানদণ্ড

EWS বা আয় ও সম্পদ শংসাপত্র পেতে প্রার্থীকে আয় এবং সম্পদ — দুটি শর্তই একসঙ্গে পূরণ করতে হয়।

আয়ের মানদণ্ড

  • যাঁরা SC, ST বা OBC সংরক্ষণের সুবিধা পান না এবং যাঁদের পরিবারের বার্ষিক গ্রস আয় ৮ লক্ষ টাকার কম, তাঁরা EWS হিসেবে গণ্য হবেন।
  • এই আয়ের মধ্যে বেতন, কৃষিকাজ, ব্যবসা, পেশা — সমস্ত উৎসের আয় ধরা হয়।
  • আবেদনের বছরের ঠিক আগের আর্থিক বছরের আয়কে ভিত্তি করে হিসাব করা হয়।

সম্পদের মানদণ্ড

আয় ৮ লক্ষের কম হলেও, নিচের যেকোনো একটি সম্পদ থাকলে সেই পরিবার EWS থেকে বাদ পড়বে:

  • ৫ একর বা তার বেশি কৃষিজমি
  • ১০০০ বর্গফুট বা তার বেশি আয়তনের নিজস্ব ফ্ল্যাট
  • বিজ্ঞপ্তিপ্রাপ্ত পুরসভা এলাকায় ১০০ বর্গগজ বা তার বেশি আয়তনের আবাসিক প্লট
  • অন্যান্য এলাকায় ২০০ বর্গগজ বা তার বেশি আয়তনের আবাসিক প্লট

মনে রাখবেন: পরিবারের সম্পত্তি একাধিক জায়গায় বা শহরে থাকলে, যোগ্যতা যাচাইয়ের সময় সব সম্পত্তি একত্রে যোগ করেই হিসাব করা হয়।

এখানে “পরিবার” বলতে বোঝানো হয়েছে — আবেদনকারী নিজে, তাঁর বাবা-মা, ১৮ বছরের কম বয়সি ভাইবোন, এবং তাঁর স্বামী/স্ত্রী ও ১৮ বছরের কম বয়সি সন্তান।

EWS সার্টিফিকেটের জন্য প্রয়োজনীয় নথিপত্র

  1. নিজের বা বাবা-মায়ের ভোটার কার্ড অথবা নাগরিকত্বের শংসাপত্র
  2. নিজের বা বাবা-মায়ের প্যান কার্ড
  3. সক্ষম কর্তৃপক্ষের দেওয়া জন্ম শংসাপত্র / মাধ্যমিক বা সমতুল পরীক্ষার অ্যাডমিট কার্ড
  4. নিজের বা বাবা-মায়ের পে-স্লিপ (বেতনের প্রমাণ)
  5. নির্ধারিত কর্তৃপক্ষের ইস্যু করা আয়ের শংসাপত্র
  6. রেসিডেন্সিয়াল (বাসস্থানের) শংসাপত্র
  7. RoR / পরচা / রেজিস্ট্রিকৃত দলিল
  8. গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান, পুরসভার চেয়ারম্যান বা মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশনের কাউন্সিলরের থেকে জাতি/উপ-জাতি সমর্থনকারী শংসাপত্র
  9. নির্ধারিত ফরম্যাটে পারিবারিক আয়, সম্পদ ও জাতি সংক্রান্ত স্ব-ঘোষণাপত্র (Self Declaration)

পশ্চিমবঙ্গে আবেদন প্রক্রিয়া (ধাপে ধাপে)

ধাপ ১ — সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন:
এলাকা অনুযায়ী নির্দিষ্ট আধিকারিকের কাছে আবেদন জমা দিতে হবে —

  • গ্রামাঞ্চলের জন্য: Block Development Officer (BDO)
  • পুরসভা এলাকার জন্য: Sub Divisional Officer (SDO)
  • কলকাতা পুরনিগম (KMC) এলাকার জন্য: DWO, Kolkata

শুধু এই কর্তৃপক্ষগুলির দেওয়া নির্ধারিত ফরম্যাটের শংসাপত্রই EWS দাবির বৈধ প্রমাণ হিসেবে গৃহীত হবে।

ধাপ ২ — শুনানি ও প্রমাণ যাচাই:
আবেদন জমার তারিখ থেকে ২ সপ্তাহের মধ্যে আবেদনকারীকে শুনানিতে ডেকে আয় ও জাতিগত প্রমাণ যাচাই করা হয় (ঠিক জাতি শংসাপত্র ইস্যুর মতো পদ্ধতিতে), যা করেন পঞ্চায়েত/পুরসভা এলাকায় Inspector BCW এবং KMC এলাকায় DWO/IBCW, Kolkata

ধাপ ৩ — সম্পত্তি যাচাই:
কৃষিজমি, ফ্ল্যাট বা প্লটের মতো স্থাবর সম্পত্তি যাচাই করেন BL & LRO (KMC এলাকায় BL & LRO/Chief Valuer/Surveyor)।

ধাপ ৪ — শংসাপত্র ইস্যু:
তদন্ত শেষে রিপোর্ট শংসাপত্র প্রদানকারী কর্তৃপক্ষের কাছে যায়; সব নথি সন্তোষজনক হলে নির্ধারিত ফরম্যাটে EWS শংসাপত্র ইস্যু হয়।

টিপস: আবেদনের অগ্রগতি জানতে বা সাধারণ আয়/বাসস্থান শংসাপত্রের মতো সংশ্লিষ্ট পরিষেবার জন্য পশ্চিমবঙ্গ সরকারের অফিসিয়াল e-District পোর্টাল (edistrict.wb.gov.in)-ও ব্যবহার করা যায়, যেখান থেকে বাড়িতে বসেই আবেদন ও পরিষেবা ট্র্যাক করা সম্ভব। তবে EWS শংসাপত্রের চূড়ান্ত অনুমোদন উপরের শারীরিক তদন্ত প্রক্রিয়ার মাধ্যমেই হয়।

শংসাপত্র পেতে কত সময় লাগে?

তদন্ত সম্পূর্ণ হওয়ার পর সাধারণত ২১ দিনের মধ্যে শংসাপত্র হাতে পাওয়া যায়। যেহেতু প্রার্থীর শংসাপত্র জমার শেষ তারিখকেই আবেদন গ্রহণের সময়সীমা হিসেবে ধরা হতে পারে, তাই শংসাপত্র জমার নির্দিষ্ট সময়সীমার অনেক আগে থেকেই আবেদন প্রক্রিয়া শুরু করা উচিত।

বয়সের ছাড় ও পরীক্ষার সুযোগ

EWS প্রার্থীদের জন্য কোনো বয়সের ছাড় নেই — সাধারণ শ্রেণির নির্ধারিত বয়সসীমাই এখানে প্রযোজ্য। পরীক্ষায় বসার সংখ্যার ক্ষেত্রেও কোনো অতিরিক্ত সুযোগ নেই।

কোন পদ EWS সংরক্ষণ থেকে ছাড়প্রাপ্ত?

“বৈজ্ঞানিক ও কারিগরি” পদ নিচের তিনটি শর্ত পূরণ করলে সংরক্ষণ নীতি থেকে ছাড় পেতে পারে:

  1. পদটি সংশ্লিষ্ট পরিষেবার গ্রুপ A-র সর্বনিম্ন গ্রেডের ঊর্ধ্বে হতে হবে।
  2. প্রাকৃতিক/শুদ্ধ/ফলিত বিজ্ঞান বা প্রযুক্তিতে নির্দিষ্ট যোগ্যতা প্রয়োজন এমন পদ হিসেবে ক্যাবিনেট সচিবালয়ের সংজ্ঞা অনুযায়ী শ্রেণিবদ্ধ হতে হবে।
  3. পদটি ‘গবেষণা পরিচালনা’ বা ‘গবেষণার সংগঠন ও দিকনির্দেশনা’-র জন্য হতে হবে।

মনে রাখার মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়

  • মেধার ভিত্তিতে নির্বাচিত EWS প্রার্থীদের সংরক্ষণ কোটার মধ্যে ধরা হবে না।
  • বেঞ্চমার্ক ডিসঅ্যাবিলিটি/প্রাক্তন সেনাকর্মীদের কোটায় নির্বাচিত EWS প্রার্থীদের EWS-এর নির্ধারিত রোস্টার পয়েন্টেই রাখা হবে।
  • শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও নিয়োগকারী সরকারি সংস্থাকে ইস্যুকারী কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে শংসাপত্রের সত্যতা যাচাই করতে হবে।

প্রায়শই জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন (FAQ)

১. পশ্চিমবঙ্গে EWS সার্টিফিকেটের আয়সীমা কত?
পরিবারের বার্ষিক গ্রস আয় ৮ লক্ষ টাকার কম হতে হবে, যার মধ্যে বেতন, কৃষি, ব্যবসা ও পেশা — সব উৎসের আয় ধরা হয়। ২০২৬ সালেও এই ৮ লক্ষ টাকার আয়সীমা নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে পর্যালোচনা চলছে, তবে আদালত একে প্রাথমিকভাবে যুক্তিসঙ্গত বলেছে এবং চূড়ান্ত রায় না হওয়া পর্যন্ত বর্তমান নিয়মই বলবৎ আছে, তাই আবেদনের আগে সাম্প্রতিক বিজ্ঞপ্তি দেখে নেওয়া ভালো।

২. EWS সার্টিফিকেটের জন্য কোথায় আবেদন করব?
গ্রামাঞ্চলে BDO অফিসে, পুরসভা এলাকায় SDO অফিসে এবং কলকাতা পুরনিগম (KMC) এলাকায় DWO, Kolkata অফিসে আবেদন করতে হয়।

৩. শংসাপত্র পেতে কত দিন সময় লাগে?
তদন্ত সম্পূর্ণ হওয়ার পর সাধারণত প্রায় ২১ দিনের মধ্যে শংসাপত্র ইস্যু হয়।

৪. EWS সংরক্ষণে কত শতাংশ সুবিধা পাওয়া যায়?
পশ্চিমবঙ্গের সরকারি চাকরি ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে EWS প্রার্থীরা ১০% সংরক্ষণ পান।

৫. EWS সার্টিফিকেটের জন্য বয়সের ছাড় আছে কি?
না, আলাদা কোনো বয়সের ছাড় নেই। সাধারণ শ্রেণির বয়সসীমাই প্রযোজ্য।

৬. পরিবারের জমি ৫ একরের কম হলেও কি যোগ্যতা বাতিল হতে পারে?
হ্যাঁ। আয় ৮ লক্ষের কম হলেও পরিবারের অন্য কোনো সম্পদ (যেমন ১০০০ বর্গফুটের বেশি ফ্ল্যাট বা নির্ধারিত আয়তনের বেশি প্লট) থাকলে EWS যোগ্যতা বাতিল হতে পারে। সব সম্পদ একসঙ্গে বিচার করা হয়।

৭. EWS সার্টিফিকেট কত দিন বৈধ থাকে?
EWS শংসাপত্র সাধারণত ইস্যুর তারিখ থেকে এক বছরের জন্য বৈধ থাকে, আর অনেক রাজ্যে এই মেয়াদ আর্থিক বছর (১ এপ্রিল–৩১ মার্চ) অনুযায়ী গণনা করা হয়। যেহেতু এই নিয়মে রাজ্যভেদে সামান্য পার্থক্য থাকে, প্রতিবার ব্যবহারের আগে ইস্যুকারী কর্তৃপক্ষের থেকে মেয়াদ নিশ্চিত করে নেওয়া ভালো।

৮. একাধিক জায়গায় পরিবারের সম্পত্তি থাকলে হিসাব কীভাবে হয়?
বিভিন্ন স্থানে বা শহরে পরিবারের নামে থাকা সব সম্পত্তি একত্রে যোগ করেই EWS-এর সম্পত্তির মানদণ্ড যাচাই করা হয়।

৯. EWS ও SC/ST/OBC সার্টিফিকেটের পার্থক্য কী?
SC/ST/OBC সংরক্ষণ জাতি-ভিত্তিক, আর EWS সংরক্ষণ শুধুমাত্র সাধারণ শ্রেণির আর্থিকভাবে দুর্বল প্রার্থীদের জন্য, আয় ও সম্পদের ভিত্তিতে নির্ধারিত হয়।

১০. আবেদন প্রত্যাখ্যাত হলে কী করব?
নথিতে ত্রুটি বা অসঙ্গতি থাকলে আবেদন প্রত্যাখ্যাত হতে পারে। প্রয়োজনীয় নথি ঠিক করে একই BDO/SDO/DWO অফিসে ফের আবেদন করা যায়।

Apply online for Economically Weaker Section (EWS) Certificate

In pursuance of insertion of clauses 15(6) and 16 (6) in the constitution of India vide the constitution (one Hundred and Third Amendment) Act, 2019 an din order to enable the Economically Weaker Sections (EWSs) who are not covered under the existing scheme of reservations for the Scheduled Castes. The Scheduled Tribes and the Socially and Educationally Backward Classes, too received the benefits of reservation on a preferential basis in civil posts and services in the Government of India and admission in Educational institutions Government of India have notified to provide 10 % reservations to EWSs in Central Government post and services and for admission in educational institution.

Important Note :-

1. Scanned Photograph to be submitted mandatorily during online application.
2. Issuance of certificate is free of cost.
3. No Documents are required to be uploaded for online application of caste certificate.
4. Fill up the details on page-I, page-II, page-III and page-IV.
5. Submit the application and download the autogenerated application form, acknowledgement slip, income and assets.

পশ্চিমবঙ্গে অনলাইনে EWS সার্টিফিকেটের জন্য আবেদন করবেন কীভাবে? সম্পূর্ণ ধাপে ধাপে গাইড

পশ্চিমবঙ্গে EWS (Economically Weaker Section) সার্টিফিকেটের জন্য আবেদন এখন সম্পূর্ণ অনলাইনে করা যায়। পশ্চিমবঙ্গ Backward Classes Welfare Department-এর অফিসিয়াল পোর্টালে EWS আবেদন সব মহকুমার (সাব-ডিভিশন) জন্য চালু রয়েছে। এই প্রতিবেদনে ফর্মের চারটি পেজের প্রতিটি ধাপ বিস্তারিতভাবে বোঝানো হলো, যাতে আপনি ঝামেলা ছাড়াই নিজেই আবেদন করতে পারেন। castcertificatewb

আবেদনের আগে জরুরি কিছু তথ্য

  • অনলাইন আবেদনের সময় স্ক্যান করা ছবি জমা দেওয়া বাধ্যতামূলক
  • সার্টিফিকেট ইস্যু করা সম্পূর্ণ বিনামূল্যে
  • জাতি/উপ-জাতি সংক্রান্ত অনলাইন আবেদনের জন্য আলাদা করে কোনো নথি আপলোড করতে হয় না।
  • ফর্মটি মোট ৪টি পেজে (Page I–IV) ভাগ করা আছে।
  • সাবমিট করার পর অটো-জেনারেটেড আবেদনপত্র, অ্যাকনলেজমেন্ট স্লিপ এবং ইনকাম ও অ্যাসেট সংক্রান্ত ডকুমেন্ট সঙ্গে সঙ্গে ডাউনলোড করা যায়।

এই অনলাইন আবেদনটি প্রক্রিয়ার প্রথম ধাপ। জমা দেওয়ার পর সংশ্লিষ্ট দফতরে আয়-সম্পদ যাচাই ও অনুমোদনের ধাপ পেরিয়ে তবেই সার্টিফিকেট ইস্যু হয়।

“Applied For” — State নাকি Central বেছে নেবেন?

State-এর জন্য Central-এর জন্য
যা করতে হবে দুটি অপশন থেকে State বেছে নিন দুটি অপশন থেকে Central বেছে নিন
অতিরিক্ত তথ্য আগে থেকে State ফরম্যাটে EWS সার্টিফিকেট করা আছে কি না জানাতে হবে।

থাকলে “হ্যাঁ” সিলেক্ট করে সেই সার্টিফিকেট নম্বর ও ইস্যুর তারিখ লিখতে হবে

ব্যক্তিগত তথ্য ও আবেদনের বিবরণ

  1. Application To: জেলা, মহকুমা, পুরসভা/ব্লক এবং GP/ওয়ার্ড — বাসস্থানের এক্তিয়ার অনুযায়ী ড্রপডাউন থেকে বেছে নিন।
  2. Application For: State-এর ক্ষেত্রে General সিলেক্ট করে জাতি বেছে নিন; Central-এর ক্ষেত্রে General অথবা OBC বেছে নিন (OBC হলে জাতি ও উপ-জাতি দুটোই দিতে হবে)।
  3. Name: পুরো নাম।
  4. Father’s Name: বাবার নাম।
  5. Mobile No: শুধু সংখ্যায় মোবাইল নম্বর।
  6. Email: ইমেল আইডি।
  7. Documents Required (অন্তত একটি): আধার নম্বর, অথবা খাদ্যসাথী ক্যাটাগরি বেছে খাদ্যসাথী নম্বর।
  8. Place of Birth: জন্ম তারিখ এবং জন্মস্থান (রাজ্য, জেলা, থানা, গ্রাম/শহর)।

ঠিকানার তথ্য

  1. Address:
    • বর্তমান ঠিকানা (গত ৬ মাসের): C/O (নাম), ওয়ার্ড/GP, গ্রাম/পাড়া/বাড়ি নম্বর/রোড, পোস্ট অফিস, পিন কোড, থানা।
    • স্থায়ী ঠিকানা: বর্তমান ঠিকানার সঙ্গে এক হলে “YES”, নাহলে “NO” ক্লিক করে আলাদা করে পূরণ করুন।

জাতীয়তা, ধর্ম, রেফারি ও মাইগ্রেশন তথ্য

  1. Nationality: স্বয়ংক্রিয়ভাবে “Indian” বসে যায়।
  2. Religion ও 12. Gender: ড্রপডাউন থেকে বেছে নিন।
  3. দুজন স্থানীয় রেফারির বিবরণ: রেফারি-১ ও রেফারি-২-এর নাম ও ঠিকানা।
  4. অন্য রাজ্য/দেশ থেকে মাইগ্রেট করেছেন কি? “YES” হলে পশ্চিমবঙ্গে বসবাসের মেয়াদ (বছরে), দেশ, রাজ্য, জেলা, থানা, গ্রাম/ওয়ার্ড ও মাইগ্রেশনের বছর লিখতে হবে।

যোগ্যতার মানদণ্ড ও আয়-সম্পদের বিস্তারিত বিবরণ

এই পেজে আবেদনের আগে যোগ্যতার মানদণ্ড আরেকবার মনে করিয়ে দেওয়া হয়: বার্ষিক আয় ৮ লক্ষের কম, কৃষিজমি ৫ একরের মধ্যে, আবাসিক ফ্ল্যাট ১০০০ বর্গফুটের মধ্যে, পুরসভা এলাকায় প্লট ১০০ বর্গগজের মধ্যে এবং পুরসভার বাইরে প্লট ২০০ বর্গগজের মধ্যে।

  1. Photo Upload: *.jpg ফরম্যাটে, ১০০ কেবি-র মধ্যে ছবি।
  2. Income Tax Return: Yes/No।
  3. Income and Asset Details (প্রয়োজনমতো একাধিক বেছে নেওয়া যায়):
    • আগের আর্থিক বছরের আয়: নিজের, বাবা, মা, স্বামী/স্ত্রী ও ভাইবোনের প্যান নম্বর, বেতন, ব্যবসা/কৃষি/পেশার আয় ও অন্যান্য উৎসের আয়
    • কৃষিজমি (একরে), আবাসিক ফ্ল্যাট (বর্গফুটে), পুরসভায়/পুরসভার বাইরে প্লট (বর্গগজে): নিজের, বাবা-মা, স্বামী/স্ত্রী, ভাইবোন ও সন্তানের নামে থাকা সম্পত্তির পরিমাণ ও অবস্থান
  4. Documents to be submitted: যে নথি জমা দিতে চান তা সিলেক্ট করুন।

সবশেষে Submit-এ ক্লিক করলেই অটো-জেনারেটেড আবেদনপত্র, অ্যাকনলেজমেন্ট ও ইনকাম-অ্যাসেট ডকুমেন্ট ডাউনলোড হয়ে যাবে।

আবেদন জমার পর অনুমোদন প্রক্রিয়া

অনলাইনে জমা দেওয়ার পর আবেদনটি ধাপে ধাপে পর্যালোচিত হয়ে S.D.O (Sub-Divisional Officer) স্তর এবং তারপর A.D.M (Additional District Magistrate) স্তরে পাঠানো হয়। সব স্তরে অনুমোদন মিললে তবেই সার্টিফিকেট জেনারেট হয়।

অনলাইনে আবেদনের আগে হাতের কাছে রাখুন

  • আধার নম্বর, অথবা খাদ্যসাথী ক্যাটাগরি ও নম্বর
  • ১০০ কেবি-র মধ্যে *.jpg ছবি
  • নিজের ও পরিবারের প্যান নম্বর ও আয়ের তথ্য
  • জমি/ফ্ল্যাট/প্লট থাকলে তার পরিমাণ ও অবস্থান
  • দুজন স্থানীয় রেফারির নাম-ঠিকানা
  • সচল মোবাইল নম্বর ও ইমেল আইডি

প্রায়শই জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন (FAQ)

১. EWS সার্টিফিকেটের অনলাইন আবেদন কোথা থেকে করব?
পশ্চিমবঙ্গ Backward Classes Welfare Department-এর অফিসিয়াল পোর্টাল থেকে।

২. আবেদনের ফি কত?
সম্পূর্ণ বিনামূল্যে, কোনো ফি লাগে না।

৩. আধার কার্ড না থাকলে?
খাদ্যসাথী ক্যাটাগরি ও নম্বর দিয়েও আবেদন করা যায় — দুটোর মধ্যে অন্তত একটি থাকলেই হবে।

৪. State ও Central EWS সার্টিফিকেটের পার্থক্য কী?
State সার্টিফিকেট রাজ্য সরকারি চাকরি/শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জন্য, Central সার্টিফিকেট কেন্দ্রীয় সরকারি চাকরি/প্রতিষ্ঠানের জন্য।

৫. ছবির নিয়ম কী?
*.jpg ফরম্যাট, সাইজ ১০০ কেবি-র মধ্যে হতে হবে।

৬. আবেদনের সময় নথি আপলোড করতে হয় কি?
জাতি/উপ-জাতির জন্য আলাদা নথি আপলোডের দরকার নেই, তবে “Documents to be submitted” ধাপে প্রাসঙ্গিক নথি বেছে দিতে হয়।

৭. সাবমিট করার পর কী পাওয়া যায়?
অটো-জেনারেটেড আবেদনপত্র, অ্যাকনলেজমেন্ট স্লিপ ও ইনকাম-অ্যাসেট ডকুমেন্ট সঙ্গে সঙ্গে ডাউনলোড করা যায়।

৮. সার্টিফিকেট পেতে কত সময় লাগে?
আবেদন স্থানীয় স্তর থেকে S.D.O ও A.D.M স্তর হয়ে অনুমোদিত হয়ে সার্টিফিকেট জেনারেট হয়; সামগ্রিক প্রক্রিয়ায় সাধারণত প্রায় ২১ দিন সময় লাগে।

৯. রেফারি হিসেবে কাকে দেওয়া উচিত?
এলাকার পরিচিত ও সহজে যোগাযোগ করা যায় এমন দুজন স্থানীয় ব্যক্তির নাম-ঠিকানা দেওয়াই ভালো।